আপনি যদি প্রথম বারের মত বার কাউন্সিল পরীক্ষার্থী হন, তাহলে খুব সম্ভাবনা আছে আপনি ফেল করবেন। আর আপনি যদি ইতোমধ্যে একবার ফেল করে থাকেন, তাহলে পূর্বের অভিজ্ঞতা বলে আপনার বারবার ফেল করার সম্ভাবনা প্রবল। তবে পরীক্ষা যত কঠিনই হোক না কেন আপনি যদি গণহারে ফেল করার কারণগুলো একবার বুঝে যান, তাহলে আপনি নিশ্চিতভাবেই পাশ করে আসবেন।
প্রশ্নপত্র হাতে পেয়ে যদি দেখেন প্রশ্নগুলো অনেক সহজ, এক্ষেত্রে আপনার কর্তব্য হল ‘খুশিতে গদ গদ’ না হয়ে বরং আপনাকে কী সরল ফাঁদে ফেলা হচ্ছে কিনা সেটা যাচাই করা। সরল ফাঁদ আপনাকে এমন এক আবেগে ফেলে দিবে যে, খুব সহজেই আপনি আপনার জানাশোনা প্রশ্নগুলোর বেশিরভাগ প্রশ্নেরই ভুল উত্তর দিয়ে আসবেন।
আপনাকে স্মরণ রাখতে হবে যে, এ পর্যায়ে আইনটিকে বুঝে নেয়া বা সম্পূর্ণরূপে রপ্ত করা আপনার উদ্দেশ্য নয় বরং আইনটির কোথায় কী আছে তার একটা অনুমান তৈরি করা হল এই ধাপের মূল উদ্দেশ্য। পরিদর্শন পর্যায়ে আপনাকে চেষ্টা করতে হবে যতদ্রুত সম্ভব সম্পূর্ণ আইন একনজর পড়ে শেষ করা।
মূল আইনে মোট ১৫৮টি ধারা রয়েছে। ধারা ১৫৬ থেকে ১৫৮ পর্যন্ত বাতিল হওয়ায় দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট ১৫৫টি ধারা আছে বলে কেউ কেউ মত দেন। এক্ষেত্রে আমাদের মনে রাখতে হবে যে, শেষের তিনটি ধারা ছাড়াও এ আইনে আরো কিছু ধারা বাতিল করা হয়েছে এবং কিছু নতুন ধারা সংযুক্তও হয়েছে।
মূল আইনের বিধানসমূহ যেসব সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা হয়েছে, সেগুলোকে বলা হয় ধারা।
তফসিলভুক্ত বিধানসমূহ যেসব সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা হয়েছে, সেগুলোকে বলা হয় বিধি। এই আইনের ২(১৮) ধারায় বলা হয়েছে, “বিধি বলতে প্রথম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত বিধি ও ফরমসমূহ অথবা ১২২ বা ১২৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহকে বোঝানো হয়।”
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ -এর বিভিন্ন বিষয় সহজে মনে রাখার জন্য এবং একটি বিষয় যেন আরেকটি বিষয়ে সঙ্গে গুলিয়ে না যায় তার জন্য একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের হতে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এবং তার পরবর্তী কার্যক্রমের বিভিন্ন স্তর অনুসারে ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে রিভিশন দিলে পরীক্ষা প্রস্তুতি ফলপ্রসূ হবে এবং ভবিষ্যতে আইন পেশায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।