পরিদর্শন পাতা

যেখানে ইংরেজি সব মুশকিল আসান করে দেয়, সেখানে বাংলার শক্তি কোথায়? ব্রিটিশ কলোনির সংস্কারের সেই ভুষণ্ডীর মাঠের ভূত তাড়ানোর জাগরণের মন্ত্র কোথায়? আইন-আদালতে বাংলা— সেটাও কি মূল্যহীন আমজনতার দিনগত পাপক্ষয় মাত্র?

>>

নকলকারী, আদালত, আর রেকর্ড রুম—এই গ্যাঁড়াকলে পড়ে একদিকে নকলকারী ছুটছেন নথির খোঁজে, আইনজীবী ছুটছেন নকলকারীর পেছনে, আর বিচারপ্রার্থী ছুটছেন আইনজীবীর পেছনে। বিচারপ্রার্থীর ন্যায়বিচারের পথে এই ছুটোছুটি যেন এক অন্তহীন ম্যারাথন। সিস্টেমের জটিলতায় ভয়াবহ এক প্রশাসনিক গোলকধাঁধায় হারিয়ে যায় ন্যায়বিচারের আশু প্রয়াস।

>>

আদালতে বাংলা ভাষার কান্না: দ্বিতীয় পর্ব

জজ সাহেব তার জবানবন্দি ইংরেজিতে লিখতে গিয়ে ‘দবুড়’ শব্দটির অনুবাদ করলেন chasing (ধাওয়া করা)। বাদীকে তার দেওয়া জবানবন্দি ব্যাখ্যা করা হলে তিনি বললেন, “এ কথা তো আমি বলি নাই!” এরপর তার আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক সংশ্লিষ্ট লাইনগুলো কেটে দেন। এতে সময় নষ্ট হয়, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীরা বিরক্ত হন।

>>


পাঠশালা

  • দেওয়ানী কার্যবিধির পরিচিতি ও মৌলিক বিষয়াবলী

    দেওয়ানী কার্যবিধির পরিচিতি ও মৌলিক বিষয়াবলী

    মূল আইনে মোট ১৫৮টি ধারা রয়েছে। ধারা ১৫৬ থেকে ১৫৮ পর্যন্ত বাতিল হওয়ায় দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট ১৫৫টি ধারা আছে বলে কেউ কেউ মত দেন। এক্ষেত্রে আমাদের মনে রাখতে হবে যে, শেষের তিনটি ধারা ছাড়াও এ আইনে আরো কিছু ধারা বাতিল করা হয়েছে এবং কিছু নতুন ধারা সংযুক্তও হয়েছে।

    >>

  • ধারা, বিধি ও তফসিল সম্পর্কিত বিধান

    ধারা, বিধি ও তফসিল সম্পর্কিত বিধান

    মূল আইনের বিধানসমূহ যেসব সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা হয়েছে, সেগুলোকে বলা হয় ধারা। তফসিলভুক্ত বিধানসমূহ যেসব সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা হয়েছে, সেগুলোকে বলা হয় বিধি। এই আইনের ২(১৮) ধারায় বলা হয়েছে, “বিধি বলতে প্রথম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত বিধি ও ফরমসমূহ অথবা ১২২ বা ১২৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহকে বোঝানো হয়।”

    >>

  • বার কাউন্সিল পরীক্ষা প্রস্তুতি কীভাবে নিবেন?

    বার কাউন্সিল পরীক্ষা প্রস্তুতি কীভাবে নিবেন?

    আপনাকে স্মরণ রাখতে হবে যে, এ পর্যায়ে আইনটিকে বুঝে নেয়া বা সম্পূর্ণরূপে রপ্ত করা আপনার উদ্দেশ্য নয় বরং আইনটির কোথায় কী আছে তার একটা অনুমান তৈরি করা হল এই ধাপের মূল উদ্দেশ্য। পরিদর্শন পর্যায়ে আপনাকে চেষ্টা করতে হবে যতদ্রুত সম্ভব সম্পূর্ণ আইন একনজর পড়ে শেষ করা।

    >>

  • ধারা মুখস্থ রাখার পাঁচ সূত্র

    ধারা মুখস্থ রাখার পাঁচ সূত্র

    আপনি কতগুলো ধারা মুখস্থ করেছেন অ্যাডভোকেটশীপ পরীক্ষায় সেটা যাচাই করা হয় না; যাচাই করা হয় আপনি আইনটি পড়েছেন কিনা, পড়ার সময় সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ ছিল কিনা।

    >>

  • অ্যাডভোকেটশীপ পরীক্ষা: রিভিশনের কার্যকর পাঁচ কৌশল

    অ্যাডভোকেটশীপ পরীক্ষা: রিভিশনের কার্যকর পাঁচ কৌশল

    অ্যাডভোকেটশীপ পরীক্ষায় সফলতার জন্য ধারাবাহিকভাবে রিভিশন করা অপরিহার্য। তবে রিভিশনের পদ্ধতিও সঠিকভাবে পরিকল্পিত হতে হবে। মুখস্থ করার জন্য সময় ব্যয় না করে, বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে আত্মস্থ করার মাধ্যমে রিভিশন দেয়া পরীক্ষার্থীর প্রস্তুতিকে সহজ করে তোলে। নিচে এমন পাঁচটি সূত্র দেয়া হলো যা মেনে রিভিশন করলে আপনার প্রস্তুতি আরও ফলপ্রসূ হতে পারে। মুখস্থ করার জটিলতাপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া…

    >>

  • মানসিক অক্ষম ব্যক্তি কর্তৃক মোকদ্দমা

    মানসিক অক্ষম ব্যক্তি কর্তৃক মোকদ্দমা

    Unsound mind শব্দগুচ্ছের হুবহু বা নিকটবর্তী কোনো বাংলা প্রতিশব্দ নেই। Sound mind দ্বারা মনের স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন অবস্থাকে বোঝানো হয়। Unsound mind বলতে এমন মানসিক অবস্থাকে বোঝায়, যেখানে স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন মানসিক ভারসাম্য বিদ্যমান নেই। দেওয়ানি কার্যবিধিতে unsound mind-এর অর্থ ‘মানসিক অক্ষমতা’।

    >>

  • নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক মোকদ্দমা

    নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক মোকদ্দমা

    অনেকেই নিঃস্ব ও দেউলিয়া শব্দ দুটি প্রতিশব্দ মনে করে ভুল করেন। প্রকৃতপক্ষে, নিঃস্ব ব্যক্তি ও দেউলিয়া ব্যক্তি একই নয়। নিঃস্ব ব্যক্তির ধারণা দেওয়ানি কার্যবিধির সঙ্গে সম্পর্কিত। অন্যদিকে, দেউলিয়া ব্যক্তির জন্য আলাদা আইন দেউলিয়া বিষয়ক আইন, ১৯৯৭ প্রচলিত আছে।

    >>

  • ১৪৫ ধারার নোটিশ পেলে কী করবেন?

    ১৪৫ ধারার নোটিশ পেলে কী করবেন?

    ধারা ১৪৫ কোনো মালিকানা যুদ্ধের মঞ্চ নয়; এটি দখলভিত্তিক একটি সাময়িক ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, যার একমাত্র লক্ষ্য শান্তি বজায় রাখা। সময়মতো আইনজীবীর পরামর্শ, সঠিক কাগজপত্র ও সচেতন আইনি পদক্ষেপই পারে এই প্রক্রিয়ায় আপনার অবস্থান সুরক্ষিত রাখতে।

    >>

  • নাবালকের পক্ষে বা বিপক্ষে মোকদ্দমা

    নাবালকের পক্ষে বা বিপক্ষে মোকদ্দমা

    সাধারণভাবে নিকটবর্তী বন্ধু হওয়ার জন্য আলাদা কোনো আবেদন করার প্রয়োজন হয় না। দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৬, বিধি ১(ঘ) অনুযায়ী, যদি বাদী বা বিবাদী নাবালক বা মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়, মোকদ্দমার আরজিতে তা উল্লেখ করে একটি বিবৃতি দিতে হবে।

    >>

  • মিথ্যা মামলা হলে করণীয়: আইনি সুরক্ষা ও প্রতিকার

    মিথ্যা মামলা হলে করণীয়: আইনি সুরক্ষা ও প্রতিকার

    মিথ্যা মামলা দিয়ে কাউকে চিরস্থায়ীভাবে আটকে রাখা সম্ভব নয়। আতঙ্কিত না হয়ে ধীরস্থিরভাবে প্রমাণের ভিত্তিতে লড়াই করলে আদালত অবশ্যই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন। মনে রাখবেন, পালিয়ে থাকা নয় বরং সঠিক আইনি লড়াই-ই মুক্তির একমাত্র পথ।

    >>

  • আন্তঃবিবাদী মোকদ্দমা ও আইনি প্রক্রিয়া

    আন্তঃবিবাদী মোকদ্দমা ও আইনি প্রক্রিয়া

    সাধারণ নিয়ম হলো, মোকদ্দমার স্বার্থ নিয়ে বাদী ও বিবাদীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। তবে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় বাদীর কোনো স্বার্থ থাকে না, বরং মোকদ্দমার স্বার্থ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় বিবাদীদের মধ্যে।

    >>

  • প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা ও আইনি প্রক্রিয়া

    প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা ও আইনি প্রক্রিয়া

    সাধারণ নিয়ম হলো, একই বিষয়বস্তুতে যতজন ব্যক্তির একই স্বার্থ আছে তাদের সবাইকে মোকদ্দমার পক্ষ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হয়। তবে, প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমায় বহু সংখ্যক বাদী বা বিবাদীর পক্ষে যে কোনো এক বা একাধিক ব্যক্তি মোকদ্দমা পক্ষভুক্ত হন।

    >>

  • যৌথ বাদী ও যৌথ বিবাদীর মোকদ্দমা

    যৌথ বাদী ও যৌথ বিবাদীর মোকদ্দমা

    সাধারণ নিয়ম হল, একই বিষয়বস্তুতে যতজন ব্যক্তির একই স্বার্থ থাকবে, তাদের সবাইকে মোকদ্দমার পক্ষ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হয়। মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা স্বার্থ ভিন্ন হলে প্রত্যেক ব্যক্তিকে ভিন্ন ভিন্ন মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। তবে, যৌথ বাদীর মোকদ্দমার ক্ষেত্রে বিষয়বস্তু বা স্বার্থ আলাদা আলাদা হলেও, একাধিক ব্যক্তি একত্রিত হয়ে একটি মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন।

    >>

  • মোকদ্দমার পক্ষসমূহ: বাদী ও বিবাদী

    মোকদ্দমার পক্ষসমূহ: বাদী ও বিবাদী

    যে ব্যক্তি সম্পত্তি বা পদের অধিকার দাবি করে আদালতে মোকদ্দমা করে, তাকে বলা হয় বাদী। যে ব্যক্তির কাছ থেকে বাদী অধিকারটি আদায় করতে চান, তিনি বিবাদী।

    >>

  • দেওয়ানি আদালতের গঠন ও আর্থিক এখতিয়ার

    দেওয়ানি আদালতের গঠন ও আর্থিক এখতিয়ার

    দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ নম্বর ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, “যে মোকদ্দমায় সম্পত্তির অধিকার অথবা একটি পদের অধিকার নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় তাকেই দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা বলা হবে, যদিওবা পদের অধিকারটি সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় রীতি বা অনুষ্ঠানের প্রশ্নে কোন সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল হয়।”

    >>

  • দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা: সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা

    দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা: সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা

    যে মোকদ্দমায় সম্পত্তির অধিকার অথবা একটি পদের অধিকার নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় তাকেই দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা বলা হবে, যদিওবা পদের অধিকারটি সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় রীতি বা অনুষ্ঠানের প্রশ্নে কোন সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল হয়।

    >>

×
পরামর্শ প্রয়োজন? এখানে চাপুন!