Unsound mind শব্দগুচ্ছের হুবহু বা নিকটবর্তী কোনো বাংলা প্রতিশব্দ নেই। Sound mind দ্বারা মনের স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন অবস্থাকে বোঝানো হয়। Unsound mind বলতে এমন মানসিক অবস্থাকে বোঝায়, যেখানে স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন মানসিক ভারসাম্য বিদ্যমান নেই। দেওয়ানি কার্যবিধিতে unsound mind-এর অর্থ ‘মানসিক অক্ষমতা’।
অনেকেই নিঃস্ব ও দেউলিয়া শব্দ দুটি প্রতিশব্দ মনে করে ভুল করেন। প্রকৃতপক্ষে, নিঃস্ব ব্যক্তি ও দেউলিয়া ব্যক্তি একই নয়। নিঃস্ব ব্যক্তির ধারণা দেওয়ানি কার্যবিধির সঙ্গে সম্পর্কিত। অন্যদিকে, দেউলিয়া ব্যক্তির জন্য আলাদা আইন দেউলিয়া বিষয়ক আইন, ১৯৯৭ প্রচলিত আছে।
ধারা ১৪৫ কোনো মালিকানা যুদ্ধের মঞ্চ নয়; এটি দখলভিত্তিক একটি সাময়িক ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, যার একমাত্র লক্ষ্য শান্তি বজায় রাখা। সময়মতো আইনজীবীর পরামর্শ, সঠিক কাগজপত্র ও সচেতন আইনি পদক্ষেপই পারে এই প্রক্রিয়ায় আপনার অবস্থান সুরক্ষিত রাখতে।
সাধারণভাবে নিকটবর্তী বন্ধু হওয়ার জন্য আলাদা কোনো আবেদন করার প্রয়োজন হয় না। দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৬, বিধি ১(ঘ) অনুযায়ী, যদি বাদী বা বিবাদী নাবালক বা মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়, মোকদ্দমার আরজিতে তা উল্লেখ করে একটি বিবৃতি দিতে হবে।
মিথ্যা মামলা দিয়ে কাউকে চিরস্থায়ীভাবে আটকে রাখা সম্ভব নয়। আতঙ্কিত না হয়ে ধীরস্থিরভাবে প্রমাণের ভিত্তিতে লড়াই করলে আদালত অবশ্যই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন। মনে রাখবেন, পালিয়ে থাকা নয় বরং সঠিক আইনি লড়াই-ই মুক্তির একমাত্র পথ।
সাধারণ নিয়ম হলো, মোকদ্দমার স্বার্থ নিয়ে বাদী ও বিবাদীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। তবে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় বাদীর কোনো স্বার্থ থাকে না, বরং মোকদ্দমার স্বার্থ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় বিবাদীদের মধ্যে।
সাধারণ নিয়ম হলো, একই বিষয়বস্তুতে যতজন ব্যক্তির একই স্বার্থ আছে তাদের সবাইকে মোকদ্দমার পক্ষ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হয়। তবে, প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমায় বহু সংখ্যক বাদী বা বিবাদীর পক্ষে যে কোনো এক বা একাধিক ব্যক্তি মোকদ্দমা পক্ষভুক্ত হন।
সাধারণ নিয়ম হল, একই বিষয়বস্তুতে যতজন ব্যক্তির একই স্বার্থ থাকবে, তাদের সবাইকে মোকদ্দমার পক্ষ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হয়। মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা স্বার্থ ভিন্ন হলে প্রত্যেক ব্যক্তিকে ভিন্ন ভিন্ন মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। তবে, যৌথ বাদীর মোকদ্দমার ক্ষেত্রে বিষয়বস্তু বা স্বার্থ আলাদা আলাদা হলেও, একাধিক ব্যক্তি একত্রিত হয়ে একটি মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন।
দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ নম্বর ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, “যে মোকদ্দমায় সম্পত্তির অধিকার অথবা একটি পদের অধিকার নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় তাকেই দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা বলা হবে, যদিওবা পদের অধিকারটি সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় রীতি বা অনুষ্ঠানের প্রশ্নে কোন সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল হয়।”
যে মোকদ্দমায় সম্পত্তির অধিকার অথবা একটি পদের অধিকার নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় তাকেই দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা বলা হবে, যদিওবা পদের অধিকারটি সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় রীতি বা অনুষ্ঠানের প্রশ্নে কোন সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল হয়।
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ -এর বিভিন্ন বিষয় সহজে মনে রাখার জন্য এবং একটি বিষয় যেন আরেকটি বিষয়ে সঙ্গে গুলিয়ে না যায় তার জন্য একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের হতে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এবং তার পরবর্তী কার্যক্রমের বিভিন্ন স্তর অনুসারে ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে রিভিশন দিলে পরীক্ষা প্রস্তুতি ফলপ্রসূ হবে এবং ভবিষ্যতে আইন পেশায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।
মূল আইনের বিধানসমূহ যেসব সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা হয়েছে, সেগুলোকে বলা হয় ধারা।
তফসিলভুক্ত বিধানসমূহ যেসব সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা হয়েছে, সেগুলোকে বলা হয় বিধি। এই আইনের ২(১৮) ধারায় বলা হয়েছে, “বিধি বলতে প্রথম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত বিধি ও ফরমসমূহ অথবা ১২২ বা ১২৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহকে বোঝানো হয়।”
মূল আইনে মোট ১৫৮টি ধারা রয়েছে। ধারা ১৫৬ থেকে ১৫৮ পর্যন্ত বাতিল হওয়ায় দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট ১৫৫টি ধারা আছে বলে কেউ কেউ মত দেন। এক্ষেত্রে আমাদের মনে রাখতে হবে যে, শেষের তিনটি ধারা ছাড়াও এ আইনে আরো কিছু ধারা বাতিল করা হয়েছে এবং কিছু নতুন ধারা সংযুক্তও হয়েছে।
অ্যাডভোকেটশীপ পরীক্ষায় সফলতার জন্য ধারাবাহিকভাবে রিভিশন করা অপরিহার্য। তবে রিভিশনের পদ্ধতিও সঠিকভাবে পরিকল্পিত হতে হবে। মুখস্থ করার জন্য সময় ব্যয় না করে, বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে আত্মস্থ করার মাধ্যমে রিভিশন দেয়া পরীক্ষার্থীর প্রস্তুতিকে সহজ করে তোলে। নিচে…
আপনি কতগুলো ধারা মুখস্থ করেছেন অ্যাডভোকেটশীপ পরীক্ষায় সেটা যাচাই করা হয় না; যাচাই করা হয় আপনি আইনটি পড়েছেন কিনা, পড়ার সময় সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ ছিল কিনা।
আপনাকে স্মরণ রাখতে হবে যে, এ পর্যায়ে আইনটিকে বুঝে নেয়া বা সম্পূর্ণরূপে রপ্ত করা আপনার উদ্দেশ্য নয় বরং আইনটির কোথায় কী আছে তার একটা অনুমান তৈরি করা হল এই ধাপের মূল উদ্দেশ্য। পরিদর্শন পর্যায়ে আপনাকে চেষ্টা করতে হবে যতদ্রুত সম্ভব সম্পূর্ণ আইন একনজর পড়ে শেষ করা।
প্রশ্নপত্র হাতে পেয়ে যদি দেখেন প্রশ্নগুলো অনেক সহজ, এক্ষেত্রে আপনার কর্তব্য হল ‘খুশিতে গদ গদ’ না হয়ে বরং আপনাকে কী সরল ফাঁদে ফেলা হচ্ছে কিনা সেটা যাচাই করা। সরল ফাঁদ আপনাকে এমন এক আবেগে ফেলে দিবে যে, খুব সহজেই আপনি আপনার জানাশোনা প্রশ্নগুলোর বেশিরভাগ প্রশ্নেরই ভুল উত্তর দিয়ে আসবেন।
আপনি যদি প্রথম বারের মত বার কাউন্সিল পরীক্ষার্থী হন, তাহলে খুব সম্ভাবনা আছে আপনি ফেল করবেন। আর আপনি যদি ইতোমধ্যে একবার ফেল করে থাকেন, তাহলে পূর্বের অভিজ্ঞতা বলে আপনার বারবার ফেল করার সম্ভাবনা প্রবল। তবে পরীক্ষা যত কঠিনই হোক না কেন আপনি যদি গণহারে ফেল করার কারণগুলো একবার বুঝে যান, তাহলে আপনি নিশ্চিতভাবেই পাশ করে আসবেন।