মিফতাহুর রহমান

প্রতিষ্ঠাতা, সম্পাদক ও প্রকাশক – আইনের উন্মুক্ত পাঠশালা

মিফতাহুর রহমান একাধারে একজন আইনজীবী, লেখক, কবি, সম্পাদক এবং সাংবাদিকতা ও প্রকাশনা জগতের দীর্ঘদিনের পথিক। বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা ও গভীর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে তিনি নির্মাণ করেছেন "আইনের উন্মুক্ত পাঠশালা"—একটি অনন্য জ্ঞানভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আইনের ভাষা ও জটিলতা সরলতায় রূপ নেয়। তিনি এই প্ল্যাটফর্মের প্রতিষ্ঠাতা, সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং এর প্রতিটি প্রকাশনা তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির ছাপ বহন করে।

আইন তার কাছে কেবল একটি পেশা নয়—এ এক অন্তর্গত দায়িত্ববোধ। সিভিল, ফৌজদারি, শ্রম, কোম্পানি ও কর আইনসহ আইনের বিভিন্ন শাখায় তার অভিজ্ঞতা ও কৌশলগত দক্ষতা তাকে পরিণত করেছে একজন বিশ্বাসযোগ্য ও কর্মনিষ্ঠ আইনজীবীতে।

আইনের উন্মুক্ত পাঠশালা প্রতিষ্ঠা

আইনের ভাষার নাগাল পাওয়া সাধারণ মানুষের পক্ষে কতটা কঠিন—এই উপলব্ধিই তাকে অনুপ্রাণিত করেছে আইনচর্চাকে জনমুখী করে তুলতে। সে লক্ষ্যে তিনি গড়ে তুলেছেন আইনের উন্মুক্ত পাঠশালা। আইন চর্চাকে সহজ ও গণমুখী করে তোলার উদ্দেশ্যে তিনি আইনের উন্মুক্ত পাঠশালার আওতায় আরো কিছু প্লাটফর্ম গড়ে তুলেছেন।

সাংবাদিকতা ও প্রকাশনা জীবনের ছাপ

মিফতাহুর রহমানের পেশাগত জীবন শুরু হয় প্রকাশনা শিল্পের হাত ধরে। তিনি কিশোর বয়সে ১৯৯৯ সালে একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানে যোগ দেন কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে। এরপর বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকতা এবং একাধিক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন প্রুফ রিডার ও সহযোগী সম্পাদক হিসেবে। ২০১৫ সালে গড়ে তোলেন নিজের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘বর্ণচাষ’।

প্রকাশনা ও সংবাদ মাধ্যমে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তার লেখার গদ্যভঙ্গিকে করেছে সহজ, গভীর এবং বোধগম্য—যেখানে ভাষার স্পষ্টতা এবং সাহিত্যের সূক্ষ্মতা একত্রে কাজ করে।

কবিতায় জীবন, আইনে সমাজ

মিফতাহুর রহমান আইন বিষয়ক লেখালেখির পাশাপাশি কবিতাও লিখেন। তার কবিতা সরল আবেগের জায়গা থেকে জন্ম নিলেও তাতে রয়েছে রাষ্ট্র, সমাজ, মানুষ ও ন্যায়ের নিঃশব্দ প্রশ্ন।

“নগর কীর্তন” নামে একটি কবিতার বই প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে, যার কেন্দ্রীয় কবিতার নামও একই। তার কবিতায় যেমন ব্যক্তি-চেতনা, তেমনি রাষ্ট্রচিন্তা—আর সবকিছুর মধ্যে থাকে “একসূর্য রোদ” হয়ে আলো ফেলার চেষ্টা।

পথচলার অন্তরসার

আইনের মতো কাঠিন্যপূর্ণ বিষয়কে যিনি মানুষের বোধের পরিসরে নিয়ে আসেন, এবং কবিতার মতো সূক্ষ্ম অনুভবকে যুক্তির কাঠামোয় বুনতে পারেন—মিফতাহুর রহমান ঠিক তেমনই এক লেখক, যিনি শব্দ ও ন্যায়ের দুই পথেই হেঁটে চলেন।

অ্যাডভোকেট মিফতাহুর রহমান

আইনজীবী | কবি ও প্রাবন্ধিক | সাবেক সাংবাদিক ও প্রকাশক

📱 মোবাইল: ০১৭৭৭ ৬৫৭৬০৬

💬 হোয়াটসঅ্যাপ: wa.me/8801777657606

📧 ই-মেইল: miftahurahman@gmail.com

📍 গুগল সার্চ: g.co/kgs/Dc5Masf

🔗 ফেসবুক: facebook.com/TayefMifta

🔗 লিংকডইন: linkedin.com/in/miftahurahman

🔗 ঢাকা আইনজীবী সমিতি: অ্যাডভোকেট মিফতাহুর রহমান

মানসিক অক্ষম ব্যক্তি কর্তৃক মোকদ্দমা

Unsound mind শব্দগুচ্ছের হুবহু বা নিকটবর্তী কোনো বাংলা প্রতিশব্দ নেই। Sound mind দ্বারা মনের স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন অবস্থাকে বোঝানো হয়। Unsound mind বলতে এমন মানসিক অবস্থাকে বোঝায়, যেখানে স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন মানসিক ভারসাম্য বিদ্যমান নেই। দেওয়ানি কার্যবিধিতে unsound mind-এর অর্থ ‘মানসিক অক্ষমতা’।

পড়ুন...

নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক মোকদ্দমা

অনেকেই নিঃস্ব ও দেউলিয়া শব্দ দুটি প্রতিশব্দ মনে করে ভুল করেন। প্রকৃতপক্ষে, নিঃস্ব ব্যক্তি ও দেউলিয়া ব্যক্তি একই নয়। নিঃস্ব ব্যক্তির ধারণা দেওয়ানি কার্যবিধির সঙ্গে সম্পর্কিত। অন্যদিকে, দেউলিয়া ব্যক্তির জন্য আলাদা আইন দেউলিয়া বিষয়ক আইন, ১৯৯৭ প্রচলিত আছে।

পড়ুন...

নাবালকের পক্ষে বা বিপক্ষে মোকদ্দমা

সাধারণভাবে নিকটবর্তী বন্ধু হওয়ার জন্য আলাদা কোনো আবেদন করার প্রয়োজন হয় না। দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৬, বিধি ১(ঘ) অনুযায়ী, যদি বাদী বা বিবাদী নাবালক বা মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়, মোকদ্দমার আরজিতে তা উল্লেখ করে একটি বিবৃতি দিতে হবে।

পড়ুন...

আন্তঃবিবাদী মোকদ্দমা ও আইনি প্রক্রিয়া

সাধারণ নিয়ম হলো, মোকদ্দমার স্বার্থ নিয়ে বাদী ও বিবাদীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। তবে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় বাদীর কোনো স্বার্থ থাকে না, বরং মোকদ্দমার স্বার্থ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় বিবাদীদের মধ্যে।

পড়ুন...

প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা ও আইনি প্রক্রিয়া

সাধারণ নিয়ম হলো, একই বিষয়বস্তুতে যতজন ব্যক্তির একই স্বার্থ আছে তাদের সবাইকে মোকদ্দমার পক্ষ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হয়। তবে, প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমায় বহু সংখ্যক বাদী বা বিবাদীর পক্ষে যে কোনো এক বা একাধিক ব্যক্তি মোকদ্দমা পক্ষভুক্ত হন।

পড়ুন...

যৌথ বাদী ও যৌথ বিবাদীর মোকদ্দমা

সাধারণ নিয়ম হল, একই বিষয়বস্তুতে যতজন ব্যক্তির একই স্বার্থ থাকবে, তাদের সবাইকে মোকদ্দমার পক্ষ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হয়। মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা স্বার্থ ভিন্ন হলে প্রত্যেক ব্যক্তিকে ভিন্ন ভিন্ন মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। তবে, যৌথ বাদীর মোকদ্দমার ক্ষেত্রে বিষয়বস্তু বা স্বার্থ আলাদা আলাদা হলেও, একাধিক ব্যক্তি একত্রিত হয়ে একটি মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন।

পড়ুন...

মোকদ্দমার পক্ষসমূহ: বাদী ও বিবাদী

যে ব্যক্তি সম্পত্তি বা পদের অধিকার দাবি করে আদালতে মোকদ্দমা করে, তাকে বলা হয় বাদী।
যে ব্যক্তির কাছ থেকে বাদী অধিকারটি আদায় করতে চান, তিনি বিবাদী।

পড়ুন...

দেওয়ানি আদালতের গঠন ও আর্থিক এখতিয়ার

দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ নম্বর ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, “যে মোকদ্দমায় সম্পত্তির অধিকার অথবা একটি পদের অধিকার নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় তাকেই দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা বলা হবে, যদিওবা পদের অধিকারটি সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় রীতি বা অনুষ্ঠানের প্রশ্নে কোন সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল হয়।”

পড়ুন...

দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা: সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা

যে মোকদ্দমায় সম্পত্তির অধিকার অথবা একটি পদের অধিকার নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় তাকেই দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা বলা হবে, যদিওবা পদের অধিকারটি সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় রীতি বা অনুষ্ঠানের প্রশ্নে কোন সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল হয়।

পড়ুন...

দেওয়ানী মোকদ্দমার ধাপসমূহ ও পরীক্ষা প্রস্তুতি

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ -এর বিভিন্ন বিষয় সহজে মনে রাখার জন্য এবং একটি বিষয় যেন আরেকটি বিষয়ে সঙ্গে গুলিয়ে না যায় তার জন্য একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের হতে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এবং তার পরবর্তী কার্যক্রমের বিভিন্ন স্তর অনুসারে ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে রিভিশন দিলে পরীক্ষা প্রস্তুতি ফলপ্রসূ হবে এবং ভবিষ্যতে আইন পেশায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।

পড়ুন...
×
পরামর্শ প্রয়োজন? এখানে চাপুন!